আই ওয়ান ডেস্ক
ঈশ্বরদী উপজেলার ফতেমোহাম্মাদপুর এলাকায় দায়ের হওয়া একটি ভাংচুর মামলায় মতামত ছাড়াই স্বাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ তুলে তিন ব্যক্তি তাদের নাম প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
রোববার (২৯ মার্চ) সকালে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. সোহেল। এসময় উপস্থিত ছিলেন একই এলাকার মৃত হাদীসের ছেলে মো. কুদ্দুস ওরফে পাখি কুদ্দুস এবং আসলাম খানের ছেলে মো. আরমান।
লিখিত বক্তব্যে তারা দাবি করেন, ঘটনার সময় তারা কেউই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং পুরো ঘটনা সম্পর্কে অবগতও নন। অথচ কোনো প্রকার আলোচনা বা সম্মতি ছাড়াই তাদের নাম মামলার স্বাক্ষীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে তারা সামাজিকভাবে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন এবং তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
তারা আরও বলেন, “আমরা নিরপরাধ হওয়া সত্ত্বেও অজ্ঞাত কারণে আমাদের নাম স্বাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে আমাদের সামাজিক সম্মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।” এ পরিস্থিতিতে প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তাদের নাম স্বাক্ষীর তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ ঈশ্বরদী থানায় দায়ের করা একটি মামলায় ফতেমোহাম্মাদপুর নিউ কলোনির বাসিন্দা মোছা. রাবেয়া খাতুন বাদী হয়ে পৌর বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদলসহ সহযোগী সংগঠনের ১৯ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করেন। মামলায় গত ২১ মার্চ রাত আনুমানিক সোয়া তিনটার দিকে তার বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ আনা হয়।
এ বিষয়ে মামলার বাদী রাবেয়া খাতুনের বক্তব্য জানতে তার বাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এছাড়া মামলায় দেওয়া মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
Share
সাম্প্রতিক খবর


